বর্ধমান:*পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে ১০/০৬/২৬ইং তারিখ অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া কয়েকটি তথ্য ও মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বক্তব্যের কিছু অংশের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই পথে হাঁটছেন বাংলাদেশের সরকারি দলগুলো বলছেন বিশ্বাস করা।
যেকোনো সভায় নতুন বিএনপির প্রধানমন্ত্রী কোন ইস্যু নিয়ে বলেছেন – যেমন: কৃষক আয়, রেল প্রকল্প, বেকারত্ব, সেচ প্রকল্প] প্রসঙ্গে কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এরপর তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিআইএমসহ বিরোধী দলগুলো দাবি করে, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য বাস্তবতার সাথে মিলছে না। তারা সরকারি নথি ও আরটিআই তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে পাল্টা পরিসংখ্যান দিয়েছেন।
*বিরোধীদের অভিযোগ:*
তৃণমূল নেতা বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল এ কথা বলেন,বিএনপি দলের নতুন প্রধানমন্ত্রী বর্ধমানের কে সালাউদ্দিন নাকি রহমান প্রশ্ন মানুষকে ভুল তথ্য দিয়েছেন। বাস্তবে প্রকল্পের কাজ এগোয়নি, কৃষকরা সুবিধা পাচ্ছেন না। সাধারণ মধ্যম শ্রেণি মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।”
*বিজেপির পাল্টা বক্তব্য:*
বিজেপি রাজ্য সভাপতি [নাম বসাবেন] পাল্টা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট ও নীতি আয়োগের তথ্যের ভিত্তিতেই কথা বলেছেন। রাজ্য সরকার তথ্য গোপন করছে, উন্নয়ন হতে দিচ্ছে না। বিতর্ক তৈরি করছে বিরোধীরা।”
*সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া:*
বর্ধমানের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন,বিএনপি দলের প্রধানমন্ত্রী তারেকুর রহমান যা বলেছেন তা বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে, কিন্তু মাঠে কাজ দেখি না।” আবার কেউ বলছেন, “কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে,রাজ্য খরচ করছে না। তথ্য যাচাই করে দেখা দরকার।”
*বিশেষজ্ঞদের মত:*
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,নির্বাচনের আগে এ ধরনের বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য স্বাভাবিক। তবে জনগণের কাছে তথ্য পৌঁছানোর আগে তা যাচাই করা জরুরি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিতর্কিত অংশ নিয়ে আলাদা কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।