মনে রেখো বাংলাদেশ! রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে একজন মানুষকে এভাবে প্রাণ দিতে হবে—এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না।
কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এক যুবমহিলা লীগ নেত্রীকে নিজ ঘরে জবাই করে হত্যার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি এবং পরিবারের বক্তব্যের আলোকে ঘটনাটির পেছনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা জরুরি। বিশেষ করে, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তিনি কোনো হুমকি বা প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
ঘটনাটি যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে থাকে, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মতাদর্শের ভিন্নতা কখনোই হত্যাকাণ্ডের অজুহাত হতে পারে না। একজন মানুষ আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা অন্য যে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকুন না কেন, তাঁর বেঁচে থাকার অধিকার এবং আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার সমান।
স্থানীয়দের বক্তব্য, পরিবারের সদস্যদের তথ্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ প্রকাশ করা জরুরি। অপরাধের সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, পরিচয় বা রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা না করে প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
মনে রেখো বাংলাদেশ—রাজনীতি করার অধিকার সবার। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে যদি কারও জীবন কেড়ে নেওয়া হয়, তবে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।