• November 2, 2026, 6:56 pm
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
১২০ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: বিএলআরআইয়ের পিডি সাজেদুলকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন ফেলোশিপে স্ত্রীর সুবিধা, দরপত্র ছাড়া কাজ বণ্টন ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মাদক কারবারিদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাদক ব্যবসার বিস্তার, গ্রেপ্তার ও মামলার পরও সক্রিয় থাকার অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি High rollers receive personalized account managers through the Messi Casino VIP programme tier system আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে কি নিজ ঘরেই জবাই করে হত্যা? কেরানীগঞ্জে যুবমহিলা লীগ নেত্রীকে ঘিরে চাঞ্চল্য সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিজয়নগরে মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় রুবেল খান ও মানিক মিয়া সিঙ্গারবিলের নলমুনিয়ায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ, বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবি রুবেল খানের বিরুদ্ধে—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি একদিনে চার পদোন্নতি থেকে তুষারধারায় বহুতল ভবন—সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে ঘিরে সম্পদ, নিয়োগ ও নির্মাণ অনিয়মের অভিযোগ গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, আলোচনায় রবিন সরকার ব্রিজের ওপর আড়াই লাখ টাকা! এসআই কুদ্দুসের সঙ্গে দুই কনস্টেবল—পুলিশ পরিচয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানোর অভিযোগ; ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ঘিরে নানা প্রশ্ন যোগদানের পরপরই সাফল্যের চমক খিলগাঁও থানায় ওসি সাইফুলের নেতৃত্বে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ২২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধারেও পুলিশের সাফল্য

বিজয়নগরে মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় রুবেল খান ও মানিক মিয়া সিঙ্গারবিলের নলমুনিয়ায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ, বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবি রুবেল খানের বিরুদ্ধে—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক 91 000.00 View
Update : বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলমুনিয়া এলাকায় কথিত মাদক কারবার, প্রভাব বিস্তার এবং সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগে রুবেল খান, সেলিম, তাঁর ভাই শামীম এবং চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচিত মোঃ মানিক মিয়ার নাম উঠে এসেছে। তবে তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।

রুবেল খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার অভিযোগ

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রুবেল খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্যের অবৈধ কারবারে সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

তবে ঠিক কতটি মামলা রয়েছে, কোন কোন থানায় সেগুলো নথিভুক্ত, মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা কী এবং কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে যাচাইযোগ্য নথি এখনো প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট থানা ও আদালতের তথ্য যাচাই ছাড়া মামলার সংখ্যা বা অভিযোগের প্রকৃতি নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে মাদক সরবরাহের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে মাদকদ্রব্যের অবৈধ কারবার পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। ইয়াবা, গাঁজা ও মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পরিবহন এবং ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের অভিযোগও সামনে এসেছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডে একাধিক সহযোগী জড়িত থাকতে পারেন। তবে তাঁদের পরিচয়, ভূমিকা এবং কথিত সরবরাহব্যবস্থার বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে মাদকদ্রব্য জব্দের নথি, মামলা, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ পরীক্ষা করা জরুরি।

সেলিম ও শামীমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ

স্থানীয়ভাবে উত্থাপিত অভিযোগে সেলিম ও তাঁর ভাই শামীমের নামও এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং কথিত মাদক কারবারিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পরিচয় বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিজে অপরাধের প্রমাণ নয়। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মানিক মিয়াকে ঘিরে অভিযোগ

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মানিক মিয়া স্থানীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। তাঁর ছবি ও প্রচারমূলক পোস্টারও প্রতিবেদনের জন্য সরবরাহ করা হয়েছে।

তাঁকে ঘিরে মাদক কারবারের অভিযোগ উত্থাপিত হলেও এর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই এবং তাঁর বক্তব্য সংগ্রহের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

নির্বাচনী প্রার্থী হওয়া বা রাজনৈতিক পরিচয় কোনো ব্যক্তির অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ নয়।

সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় চলাফেরা করেন এবং সেই পরিচয়ের আড়ালে কথিত অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেন। এ ক্ষেত্রে ‘অনিন্দিত’ পত্রিকার পরিচয়পত্র ব্যবহারের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাংবাদিকতার পরিচয়পত্রের বৈধতা, পত্রিকাটির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক এবং মাদক পরিবহনের অভিযোগের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়নি।

সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ বেআইনি সুবিধা নিলে তার তদন্ত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও সমীচীন নয়।

বিজিবি ও থানা-পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি

বিজয়নগর সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), থানা-পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকায় উত্থাপিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন—

১. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কোনো মামলা রয়েছে কি না।

২. রুবেল খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবির সত্যতা কী এবং মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা কী।

৩. ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের অভিযোগের পক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ রয়েছে কি না।

৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যোগসাজশ বা আর্থিক সুবিধা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করা হয়েছে কি না।

৫. সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কেউ বেআইনি সুবিধা নিচ্ছেন কি না।

কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, এসআই, ওসি কিংবা বিজিবি সদস্যের বিরুদ্ধে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া অপরাধে জড়িত থাকার সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্‌ঘাটন করা জরুরি।

প্রশাসনের কাছে জনস্বার্থে দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলমুনিয়া এলাকায় উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার দাবি জানানো হচ্ছে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি মাদক পরিবহনের সম্ভাব্য পথ, সরবরাহব্যবস্থা এবং অভিযোগের সঙ্গে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হোক।

মাদকের বিস্তার রোধ, তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।পরের পর্বে নাম আরো সংযুক্ত হবে জয়নগরের মাদকসম্রাট করে নিয়ে পদবেদন নিয়ে আসবে চোখ রাখুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা