• November 2, 2026, 5:59 pm
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
১২০ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: বিএলআরআইয়ের পিডি সাজেদুলকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন ফেলোশিপে স্ত্রীর সুবিধা, দরপত্র ছাড়া কাজ বণ্টন ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মাদক কারবারিদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাদক ব্যবসার বিস্তার, গ্রেপ্তার ও মামলার পরও সক্রিয় থাকার অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি High rollers receive personalized account managers through the Messi Casino VIP programme tier system আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে কি নিজ ঘরেই জবাই করে হত্যা? কেরানীগঞ্জে যুবমহিলা লীগ নেত্রীকে ঘিরে চাঞ্চল্য সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিজয়নগরে মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় রুবেল খান ও মানিক মিয়া সিঙ্গারবিলের নলমুনিয়ায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ, বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবি রুবেল খানের বিরুদ্ধে—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি একদিনে চার পদোন্নতি থেকে তুষারধারায় বহুতল ভবন—সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে ঘিরে সম্পদ, নিয়োগ ও নির্মাণ অনিয়মের অভিযোগ গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, আলোচনায় রবিন সরকার ব্রিজের ওপর আড়াই লাখ টাকা! এসআই কুদ্দুসের সঙ্গে দুই কনস্টেবল—পুলিশ পরিচয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানোর অভিযোগ; ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ঘিরে নানা প্রশ্ন যোগদানের পরপরই সাফল্যের চমক খিলগাঁও থানায় ওসি সাইফুলের নেতৃত্বে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ২২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধারেও পুলিশের সাফল্য

কাতারে ব্যবসার অংশীদারদের বিরুদ্ধে প্রবাসীর কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শফিকুলের লিখিত অভিযোগ দূতাবাসে, নথি গেছে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 147 000.00 View
Update : শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

কাতারে ব্যবসা করতে গিয়ে অংশীদারদের হাতে প্রতারণা ও বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশে অনিয়ম, পাওনা অর্থ না দেওয়া এবং দেশে ফেরার পর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে তিনি কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত আবেদন করেছেন।

প্রাপ্ত নথিপত্র অনুযায়ী, অভিযোগটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ভুক্তভোগীর অভিযোগে বিবাদী/অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন—

১. সোহেল রানা, পিতা—তাজু মিয়া, গ্রাম—কালিসীমা (মধ্যপাড়া), আক্রমালীর বাড়ি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

২. ইলিয়াস খাঁ, পিতা—মঙ্গল খাঁ, গ্রাম—জালসুগা খাঁ বাড়ি, উপজেলা—নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

৩. মো. আব্দুল বাসেত, পেনশিগঞ্জ/পেন্সিগঞ্জ, সিলেট; গ্রাম—ইলিয়াসপুর।

অভিযোগকারী দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব ও লেনদেনের সূত্র ধরে তার বড় অঙ্কের অর্থ আটকে যায় এবং পরবর্তীতে হিসাব চাইলেও তিনি যথাযথ হিসাব ও পাওনা অর্থ পাননি।

সাক্ষীদের নামও নথিতে

অভিযোগপত্রে উপস্থিত সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—

সুমন, পিতা—মোহাম্মদ আলী, গ্রাম—কালিসীমা।

আব্দুল্লাহ, পিতা—সিদ্দু মিয়া, গ্রাম—কালিসীমা।

হাবিবুল্লাহ, পিতা—আবুল হোসেন, গ্রাম—কালিসীমা।

শরিফ, পিতা—মুবারুল হক, গ্রাম—কালিসীমা।

বিল্লাল মিয়া, গ্রাম—তেলিনগর।

অন্যদিকে অনুপস্থিত সাক্ষী হিসেবে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে—

তানজিল আহমেদ, গ্রাম—কালিসীমা।

রাসেল, গ্রাম—রাদিগা।

আক্কাস আলী, থানা—মাদুফফর/মাধবপুর।

হিসাব নিয়ে বিরোধ, বাড়ছে রহস্য

অভিযোগপত্রে ব্যবসায়িক লেনদেনের বিভিন্ন হিসাব তুলে ধরে বলা হয়েছে, কাতারে কোম্পানির ব্যবসা পরিচালনার সময় বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়। কিন্তু ব্যবসা শেষে হিসাব চূড়ান্ত করতে গিয়ে অভিযোগকারী তার প্রাপ্য অর্থ নিয়ে জটিলতার মুখে পড়েন।

শফিকুল ইসলামের দাবি, তিনি বারবার হিসাব চাইলেও সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি এড়িয়ে যান। একপর্যায়ে পাওনা অর্থ আদায়ের চেষ্টা করলে তাকে চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগপত্রে কাতারি রিয়ালে বিপুল অর্থের হিসাব উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে থাকা হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণও উল্লেখযোগ্য। তবে অভিযোগপত্রে উল্লিখিত অর্থের হিসাব ও প্রতারণার অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

দূতাবাসের চিঠিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ

কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো চিঠিতে অভিযোগটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানোর কথা উল্লেখ রয়েছে।

এতে বিষয়টি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এসেছে। এখন অভিযোগের সত্যতা যাচাই, ব্যবসায়িক নথি পরীক্ষা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ এবং আর্থিক লেনদেনের প্রকৃত হিসাব বের করাই হবে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

‘প্রবাসীর টাকা ফেরত ও নিরাপত্তা চাই’

ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলামের দাবি, দীর্ঘদিন বিদেশে শ্রম দিয়ে অর্জিত অর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি। কিন্তু অংশীদারদের সঙ্গে বিরোধের পর তিনি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশে ফেরার পরও হুমকি বা চাপের শিকার হলে আইনগত সুরক্ষা প্রয়োজন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

তার দাবি, অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, পাওনা অর্থ উদ্ধারে ব্যবস্থা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

তবে অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। অনুসন্ধান চলমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা