• November 4, 2026, 10:54 pm
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজউকের ১,০৭৪ প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ পূর্বাচল ও ঝিলমিলের নথি স্থগিত, তদন্তের আওতায় হাজারের বেশি প্লট—বর্তমান চেয়ারম্যানের কাছে জবাবদিহির দাবি ১২০ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: বিএলআরআইয়ের পিডি সাজেদুলকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন ফেলোশিপে স্ত্রীর সুবিধা, দরপত্র ছাড়া কাজ বণ্টন ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মাদক কারবারিদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাদক ব্যবসার বিস্তার, গ্রেপ্তার ও মামলার পরও সক্রিয় থাকার অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি High rollers receive personalized account managers through the Messi Casino VIP programme tier system আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে কি নিজ ঘরেই জবাই করে হত্যা? কেরানীগঞ্জে যুবমহিলা লীগ নেত্রীকে ঘিরে চাঞ্চল্য সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিজয়নগরে মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় রুবেল খান ও মানিক মিয়া সিঙ্গারবিলের নলমুনিয়ায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ, বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবি রুবেল খানের বিরুদ্ধে—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি একদিনে চার পদোন্নতি থেকে তুষারধারায় বহুতল ভবন—সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে ঘিরে সম্পদ, নিয়োগ ও নির্মাণ অনিয়মের অভিযোগ গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, আলোচনায় রবিন সরকার ব্রিজের ওপর আড়াই লাখ টাকা! এসআই কুদ্দুসের সঙ্গে দুই কনস্টেবল—পুলিশ পরিচয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানোর অভিযোগ; ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ ঘিরে নানা প্রশ্ন

রাজউকের ১,০৭৪ প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ পূর্বাচল ও ঝিলমিলের নথি স্থগিত, তদন্তের আওতায় হাজারের বেশি প্লট—বর্তমান চেয়ারম্যানের কাছে জবাবদিহির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক 3 000.00 View
Update : বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প ও ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় ১ হাজার ৭৪টি প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব প্লটের বরাদ্দসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা পড়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্লটগুলোর নথি-সংক্রান্ত কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ জাতীয় সংসদ ভবনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচটি আবাসিক এলাকা ও উন্নয়ন প্রকল্পে রাজনৈতিক বিবেচনায় মোট ১ হাজার ৪১৩টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৮৭৪টি এবং ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় ২০০টি প্লটের বরাদ্দে অনিয়মসংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।

কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ?

প্রকাশিত তদন্তসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করা, আবেদন ছাড়াই প্লট বরাদ্দ, প্রচলিত আইন ও প্রকল্পের প্রসপেক্টাসের শর্ত অনুসরণ না করা এবং সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অনুমোদন যাচাই না করার অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে সংরক্ষিত কোটায় যাঁদের বিশেষ অবদানের বিবেচনায় প্লট দেওয়া হয়েছে, তাঁদের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বর্তমান রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে প্রশ্ন

এত বড় সংখ্যক প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর রাজউকের বর্তমান প্রশাসনিক নেতৃত্বের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

১. ১ হাজার ৭৪টি প্লটের তদন্তের অগ্রগতি কতদূর?

২. যেসব কর্মকর্তা বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের ভূমিকা যাচাই করা হচ্ছে কি?

৩. অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্লটের বরাদ্দ বাতিল ও সরকারি সম্পদ উদ্ধারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

৪. ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম ঠেকাতে রাজউক কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

এখানে উল্লেখ্য, আলোচিত প্লটগুলো ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা বা দুর্নীতির প্রমাণ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। তবে তদন্তের স্বচ্ছতা, নথি সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বর্তমান নেতৃত্বের জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।

জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি

রাজউক রাজধানীর পরিকল্পিত উন্নয়ন, আবাসন ব্যবস্থাপনা ও ভূমি বরাদ্দের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ শুধু আর্থিক বা প্রশাসনিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে সাধারণ আবেদনকারীদের অধিকার ও সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার প্রশ্নও জড়িত।

তাই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকল্পভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, দায়ীদের শনাক্তকরণ এবং প্রমাণ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

দৈনিক সময়ের কণ্ঠের পক্ষ থেকে রাজউক চেয়ারম্যান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের বক্তব্য জানতে চাওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

অনুসন্ধান চলমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা